দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বলিউড অভিনেত্রী কাজলের বোন তানিশা মুখোপাধ্যায়ের বয়স ৪৮ বছর পেরিয়েছে। এখনও বিয়ে করেননি তিনি। তবে ভবিষ্যতে মা হওয়ার সম্ভাবনা ধরে রাখতে ৩৯ বছর বয়সেই ডিম্বাণু সংরক্ষণ করিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি এক পডকাস্টে বিয়ে, মাতৃত্ব ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নিজের ভাবনার কথা জানিয়েছেন তিনি।
তানিশার মতে, বয়স বাড়ছে কিংবা সমাজ থেকে চাপ আসছে বলে বিয়ে বা সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চান না তিনি। তাঁর কাছে বিয়ে কেবল সামাজিক রীতি নয়, বরং দুজন মানুষের আত্মিক বন্ধন। তাই উপযুক্ত জীবনসঙ্গী না পাওয়া পর্যন্ত শুধু বয়সের কারণে বিয়ে বা মাতৃত্বের সিদ্ধান্ত নিতে রাজি নন তিনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভবিষ্যতে মা হওয়ার ইচ্ছা থাকলেও উপযুক্ত সময় ও জীবনসঙ্গীর অপেক্ষায় থাকতে গিয়ে সেই সম্ভাবনা হারাতে চাননি তানিশা। এ কারণেই আগেভাগে ডিম্বাণু সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তবে বিষয়টি প্রকাশ্যে জানান কয়েক বছর পর।
সন্তান প্রতিপালন নিয়েও নিজের অবস্থান জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তাঁর মতে, একটি শিশুর বেড়ে ওঠায় মা ও বাবা দুজনেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি এমন একজন জীবনসঙ্গী চান, যিনি সন্তানের দায়িত্ব ভাগ করে নিতে প্রস্তুত থাকবেন। তেমন কাউকে না পাওয়া পর্যন্ত সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্তে যেতে চান না তিনি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে তাঁর ভাবনা বদলাতেও পারে বলে জানিয়েছেন তানিশা।
তানিশার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও অতীতে আলোচনা হয়েছে। অভিনেতা উদয় চোপড়া ও অরমান কোহলীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক একসময় সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে আসে। উদয় চোপড়ার সঙ্গে সম্পর্কের বিচ্ছেদের পর তাঁর মানসিক অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল।
২০১৩ সালে ‘বিগ বস ৭’-এ অংশ নেওয়ার সময় অরমান কোহলীর সঙ্গে তানিশার ঘনিষ্ঠতা দর্শকদের নজর কাড়ে। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরও তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে। তবে ২০১৪ সালে তাঁদের বিচ্ছেদের খবর সামনে আসে। পরে তানিশা জানিয়েছিলেন, চিন্তাভাবনা ও মতের অমিল তাঁদের সম্পর্ক ভাঙার অন্যতম কারণ ছিল।
বিয়ে না করলেও ভবিষ্যতে মাতৃত্বের সম্ভাবনা ধরে রাখতে ডিম্বাণু সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তানিশা। তাঁর এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে ব্যক্তিগত পছন্দ, মাতৃত্ব এবং সামাজিক প্রত্যাশা নিয়ে নতুন করে আলোচনা সামনে এসেছে।
এমএম/